মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব

পূর্ণ নাম

জন্ম স্থান

জন্ম ও মৃত্যু সন

বিষয়

কর্ম/পুরস্কার

মীর মশাররফ হোসেন

কুষ্টিয়া

জন্মঃ ১৮৪৭

মৃত্যুঃ ১৯১২

সাহিত্য

মহাকাব্য বিষাদ সিন্ধু (১৮৮৫-১৮৯১) এর রচয়িতা।

ডঃ কাজী মোতাহার হোসেন

 

পাংশা, রাজবাড়ী

জন্মঃ ১৮৯৭

মৃত্যুঃ ১৯৮১

শিক্ষাবিদ, বিজ্ঞানী

শিক্ষা ও গবেষণা ক্ষেত্রে ১৯৬০ সালে তৎকালীন পাকিসত্মান সরকার কর্তৃক ‘সিতারা-ই-ইমতিয়াজ’ খেতাবে ভূষিত হন।১৯৬৬ সালে ‘বাংলা একাডেমী’ পুরস্কার এবং শিক্ষা ও প্রযুক্তি বিদ্যায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ লাভ করেন।

মোহাম্মদ এয়াকুব আলী চৌধুরী

পাংশা, রাজবাড়ী

জন্মঃ ১৮৮৮

মৃত্যুঃ ১৯৪০

শিক্ষা সংস্কার

শিক্ষা সংস্কারের মাধ্যমে পশ্চাৎপদ মুসলমানদের অগ্রগামী করেন।

কাজী আব্দুল ওদুদ

পাংশা, রাজবাড়ী

জন্মঃ ১৮৯৪

মৃত্যুঃ ১৯৭০

সাহিত্য

স্মরণীয় কীর্তি ব্যবহারিক শব্দকোষ। এটি একটি জনপ্রিয় বাংলা অভিধান।

মনসুর উল করিম

রাজবাড়ী

জন্মঃ ১৯৫০

 

ফাইন আর্ট

২০০৯ সালে ফাইন আর্ট এ একুশ পদকেভূষিত হন

 

 

মীর মশাররফ হোসেন

বাংলা সাহিত্যে বঙ্কিম যুগে বাংলার মানুষ ভিন্ন মানসের সন্ধান লাভ করে মীর মশাররফ হোসেন এর সাহিত্য কর্মে। তিনি প্রথম মুসলমান লেখক যিনি প্রবন্ধ রচনা করেন। তাঁর দাদামীর ইব্রাহিমের পৈর্তৃক নিবাস রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের পদমদি গ্রামে। তিনি কুষ্টিয়ার সাঁগুতায় ১৮৪৭ সালে তাঁর নানা বাড়ীতে জন্ম গ্রহণ করেন। পিতৃপুরুষের ভিটামাটি পদমদির সাথে এবং পিতা ও পিতামহের সাথে তাঁর গভীর যোগাযোগ ছিল। তিনি উপন্যাস, নাটক, জীবনী, ইতিহাস ধর্মতত্ত্ব, কাব্য সংগীত ইত্যাদি বিষয়ে ৩৫টি প্রন্থ রচনা করেন। তার উল্লেখযোগ্য রচনা হলো রত্নাবতী (১৮৬৯), গাজী মিয়ার বস্তানী, বিষাদ সিন্ধু ( ১৮৮৫-১৮৯১), উদাসীন পথিকের মনের কথা (১৮৯০), নাটক বসন্ত কুমারী (১৮৭৩), জমিদার দর্পণ (১৮৭৩) প্রভৃতি। তিনি শেষ জীবন পদমদীতেই কাটান এবং ১৯১২ সালে মৃত্যূর পর এখানেই তাঁকে সমাধিস্থ করা হয়। বর্তমানে এখানে মীর মোশাররফ হোসেন স্মৃতি কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে।

 

ডঃ কাজী মোতাহার হোসেন

ডঃ কাজী মোতাহার হোসেন দেশের খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ, বিজ্ঞানী, সাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক,পন্ডিতজ্ঞ, পরিসংখ্যানবিদ এবং দাবারু। তাঁর পৈর্তৃক নিবাস রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার বাগমারা গ্রামে।তাঁর জন্ম ১৮৯৭ সালে। ১৯২১ সালে পদার্থ বিজ্ঞানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম. এ পাশ করার পর একই বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। তিনি ১৯৬৪-১৯৬৬ পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অব স্ট্যাটিস্টিক্যাল রিসার্চ এন্ড ট্রেনিং এ কর্মরত ছিলেন।। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক তাঁকে সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধি (১৯৭৪) প্রদান করা হয়। তাঁর উল্লেখযোগ্যসংকলন হলো নজরুল কাব্য পরিচিতি, সিম্পোজিয়াম, আলোক বিজ্ঞান প্রভৃতি।

 

মোহাম্মদ এয়াকুব আলী চৌধুরী

সাহিত্য সাধনা, রাজনৈতিক সচেতনতা ও শিক্ষা সংস্কার দ্বারা মোহাম্মদ ইয়াকুব আলী চৌধুরী পশ্চাৎপদ মুসলমানদের অগ্রগামী করেন। তিনি ১৮৮৮সালে পাংশা উপজেলার মাগুরাডাঙ্গী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পাংশা হাইস্কুল হতে এম, ই পাশ করে রাজবাড়ী সূর্যকুমার ইন্সটিটিউশন হতেএনট্রান্স পাস করেন এবং শিক্ষকতা শুরু করেন। ইসলামী দর্শন এবং সংস্কৃতি তাঁর রচনার মূল উপজীব্য।বক্তব্যের বলিষ্ঠতায়, ভাবের গাম্ভীর্যে ও ভাষার মাধুর্যে তার রচনাবলী বিশেষ মর্যাদার দাবীদার। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ ধর্মের কাহিনী (১৯১৪), নূরনবী (১৯১৮), শান্তিধারা (১৯১৮), মানব মুকুট (১৯২৬) প্রভৃতি। ১৯৪০ সালের ১৫ ডিসেম্বর তিনি পরলোক গমন করেন।

 

 

কাজী আব্দুল ওদুদ

কাজী আব্দুল ওদুদ পাংশা উপজেলার বাগমারা গ্রামে ১৮৯৪ সালে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি ১৯১৩ সালে ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল থেকে প্রবেশিকা পাশ করেন। পরবর্তীতে কলকাতা প্রেসিডেন্সী কলেজ হতে ১৯১৫ সালে আই, এ এবং ১৯১৭ সালে বিএ পাশকরেন। তিনি ১৯১৯ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় হতে অর্থনীতিতে এম.এ পাশ করেন। তাঁর রচিত গ্রন্থে ইসলাম ও হযরত মুহম্মদ (সাঃ) এর প্রতি গভীর অনুরাগ প্রকাশ পায়। তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ ছিল নদীবক্ষ (১৯১৮), কবিগুরুঃ দুই খন্ড (১৯৬২, ১৯৬৯), সমাজ ও সাহিত্য (১৯৩৪), শ্বাশ্বত বঙ্গ (১৯৫১), হিন্দু মুসলমান বিরোধ (১৯৩৫), পথ ও বিপথ (১৯৩৯) ইত্যাদি। তিনি ১৯ মে ১৯৭০ সালে কলকাতায় পরলোক গমন করেন।

 

 

মনসুর উল করিম

শিল্পী মনসুর উল করিম যার শিল্পকর্ম বাংলাদেশের শিল্প জগতে নতুন মাত্রা সংযোজন করেছে। বাংলাদেশের সমসাময়িক বিশিষ্ট শিল্পীদের মধ্যে তিনি একজন। নবমএশীয় দ্বিবার্ষিক চারুকলা প্রদর্শনী ১৯৯৯ এ দেশের ১৫ জন প্রথিতযশা শিল্পীদের নিয়ে যে প্রদর্শনী শিল্পাঙ্গন গ্যালারীতে অনুষ্ঠিত হয় তাদের মধ্যে মনসুর উল করিম একজন। বাংলাদেশের প্রকৃতি আর মানুষের নান্দনিক অভিব্যক্তিই তাঁর শিল্পের বৈশিষ্ট্য। পাহাড়, সমতল, নদী, মাটি, ধানক্ষেত,খাল, বৃক্ষ আকাশ, মেঘ, বৃষ্টি,মানুষ একাকারেবিমূর্ত অবয়বে তার ক্যানভাস পরিপূর্ণ। মনসুর উল করিম রাজবাড়ীর মানুষ তাঁর জন্ম ১৯৫০ সালে।বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন আর্ট বিভাগের অধ্যাপক। তিনি ২০০৯ সালে ফাইন আর্ট এ একুশ পদকেভূষিত হন।